1. tohidulstar@gmail.com : sobuj ali : sobuj ali
  2. ronju@chapaidarpon.com : Md Ronju : Md Ronju
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
এটি একটি উৎসবের নির্বাচন ॥ ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট হবে ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড-প্রধান উপদেষ্টা জামায়াতের কাছে কোনো কার্ড নাই ॥ আপনারাই আমাদের কার্ড-ডা. শফিকুর রহমান শিবগঞ্জ আসনে বিএনপি প্রার্থীর আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু নাচোলে বিএনপি প্রার্থী আমিনুল ইসলামের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু নওগাঁ ১ আসনে বিএনপির ঘাঁটি উদ্ধারে বাধা বিদ্রোহী ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধ নাটোর-৩ সিংড়ায় ধানের শীষের প্রচারণায় মাঠে এমপি প্রার্থী অধ্যক্ষ আনু গাইবান্ধায় র‌্যাবের অভিযানে ১টি দেশীয় ওয়ান শুটারগান উদ্ধার স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী সজিবের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে হিন্দুদের ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা উদযাপিত ফরিদপুরে ঢাল-বর্শা-কাস্তেসহ বিপুল অস্ত্র উদ্ধার ॥ আটক ১৮

১৬ বছর পর কারামুক্ত বিডিআরের ১৬৮ সদস্য

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৮২ বার পঠিত

১৬ বছর পর কারামুক্ত বিডিআরের ১৬৮ সদস্য

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাড়ে ১৫ বছর কারাগারে আটক থাকার একে একে কারামুক্ত হচ্ছেন বিস্ফোরক মামলায় জামিন পাওয়া বিডিআর সদস্যা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া শুরু হয়। জানা গেছে. ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মোট ৪১ জন, কাশিমপুর-১ থেকে ২৬ জন, কাশিমপুর-২ থেকে ৮৯ জন, কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি থেকে ১২ জনসহ মোট ১৬৮ জনকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। এর আগে গত ২১ জানুয়ারি ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়ার আদালত জামিনপ্রাপ্ত ১৭৮ জন আসামির নাম প্রকাশ করেন। এর মধ্যে ১৬৮ জনের তালিকা হাতে পেয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। ওই ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় খালাস বা সাজাভোগ শেষে বিস্ফোরক মামলার কারণে ৪৬৮ জনের মুক্তি আটকে আছে। হত্যা মামলায় ৮৫০ জনের বিচার শেষ হয় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর। যেখানে ১৫২ জনের ফাঁসি ছাড়াও ১৬০ জনের যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া খালাস পান ২৭৮ জন। ২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর সেই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় দেন হাইকোর্টে। রায়ে ১৩৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। সেই সঙ্গে যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয় ১৮৫ জনকে। পাশাপাশি আরও ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়। আর খালাস পান ২৮৩ জন। তবে হাইকোর্টের রায়ের আগে ১৫ জনসহ সব মিলিয়ে ৫৪ জন আসামি মারা গেছেন। ফলে হত্যা মামলায় হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে ২২৬ জন আসামি আপিল ও লিভ টু আপিল করেছেন। অন্যদিকে হাইকোর্টে ৮৩ জন আসামির খালাস এবং সাজা কমানোর রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এসব আপিল ও লিভ টু আপিল এখন শুনানির অপেক্ষায়। এদিকে বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৮৩৪ জন আসামির বিরুদ্ধে বিচারকাজ শুরু হয় ২০১০ সালে। কিন্তু মাঝপথে বিস্ফোরক মামলার কার্যক্রম একপ্রকার স্থগিত রেখে শুধু হত্যা মামলার সাক্ষ্য উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ। যে কারণে এই মামলার বিচার ঝুলে যায়। ক্ষমতার পালাবদলের অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার তদন্ত পুনরায় শুরুর দাবি উঠে। গত ১৯ ডিসেম্বর অভিযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যান শহিদ পরিবারের সদস্যরা। এই হত্যাকাণ্ড পুনঃতদন্তের জন্য গত ২৪ ডিসেম্বর আলম ফজলুর রহমানকে প্রধান করে কমিশন গঠন করে ৯০ দিনের সময় দিয়েছে সরকার।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

BGL OVERSEASS LTD

Copyright All rights reserved © 2025 Chapaidarpon.com
Theme Customized BY Sobuj Ali
error: Content is protected !!