মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৭

নারীমুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্তকে অপমান ও অবমাননার প্রতিবাদ

WP Import ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০৫:৩২ অপরাহ্ন জাতীয়
WP Import ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০৫:৩২ অপরাহ্ন
নারীমুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্তকে অপমান ও অবমাননার প্রতিবাদ
নারীমুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্তকে অপমান ও অবমাননার প্রতিবাদ

নারীমুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্তকে অপমান ও অবমাননার প্রতিবাদ

স্কুলে কাজ করা এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীর উপর ঘটে চলা অনিয়ম ও অন্যায় বন্ধ করে তার পাওনা পরিশোধের আবেদন নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক খালিদ হোসেনের কাছে গিয়েছিলেন বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্ত। বিনিময়ে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা খালিদ হোসেন পরিচ্ছনতাকর্মী সম্প্রদায়কে কেন্দ্র করে তুচ্ছ ও অবজ্ঞাসূচক মন্তব্য করেন, সীমা দত্তের সাথে অশোভন আচরণ করেন ও তাঁকে অপমান করে অফিস কক্ষ থেকে বের করে দেন। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের সহ-সভাপতি আসমা আক্তার ও সাধারণ সম্পাদক নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী। নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্ত দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও নিপীড়িত পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের অধিকার নিয়ে লড়াই করছেন। ঢাকার মিরনজিল্লা কলোনি রক্ষার আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা সকলেই জানেন। সেই সময়ের সিটি মেয়র ফজলে নূর তাপসের বিরুদ্ধে তিনি সাহসের সাথে দাঁড়িয়েছিলেন। এই মানুষদের সাথে তাঁর সম্পর্ক খুবই ঘওনিষ্ঠ এবং তাদের অধিকারের ব্যাপারে তিনি সবসময়েই সোচ্চার। এরই অংশ হিসেবে নরসিংদী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী (পরিছন্নতা কর্মী) রাজু দাসের উপর চলতে থাকা অবিচার ও অন্যায়ের প্রতিকার চাইতে আজ তিনি শিক্ষা ভবনে উপস্থিত হন। কিন্তু ন্যায়বিচারের পথ খুঁজতে গিয়েই তিনি নিজেই অপমানের শিকার হন। অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মো. খালিদ হোসেন দায়িত্বশীল পদে থেকেও তাকে চরমভাবে অবমাননা করেন, গর্হিত মন্তব্য করেন এবং অশোভন আচরণ করেন। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে উনার ভিন্ন বক্তব্য থাকতে পারে, কিন্তু এভাবে অপমান করে তিনি একজন নারীনেত্রী ও অধিকারকর্মীকে তো নয়ই, কোন নাগরিককেও অফিস থেকে বের করে দিতে পারেন না। সীমা দত্ত এর প্রতিবাদ করলে খালিদ হোসেন তাকে ক্ষমতা প্রদর্শন করে বলেন যে, তাঁর যা মনে হয় করতে পারেন। আমরা এই হীন মানসিকতার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে উক্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে অভিযোগ দাখিল করব। এঘটনা কেবল সীমা দত্তের প্রতি অবমাননা নয়, এটি নারী অধিকার আন্দোলনের প্রতি এবং অবহেলিত শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য দাবির প্রতি এক সুস্পষ্ট অবজ্ঞা।’
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।