গাইবান্ধা সাদুল্লাপুরে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ ॥ থানায় মামলা
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট মনি কৃষ্ণ সেন ডিগ্রী কলেজের এইচ.এস.সি প্রথম বর্ষের এক কলেজ ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ করা হয়েছে। গত ১৫ই অক্টোবর অপহৃত ওই কলেজ ছাত্রীর মা মুন্নি আক্তার বাদী হয়ে সাদুল্লাপুর থানায় নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নাম্বার-১৭। মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের নিজ পাড়া গ্রামের মৃত জানে আলমের কন্যা সুম্মা আক্তার তুবা (১৬) তার মায়ের সঙ্গে নানা ময়েজ উদ্দিন সরকারের বাড়িতে বসবাস করেন। মেয়ে কলেজে যাওয়া আসার সময় একা পেয়ে একই ইউনিয়নের উত্তর পাড়া গ্রামের আব্দুর রশিদের পুত্র রনি প্রামানিক (২৪) তুবাকে প্রেম ভালোবাসার প্রস্তাব দিয়া বিরক্ত করতো। প্রেম ভালবাসার প্রস্তাবে তুবা রাজি না হওয়ায় গত ১১ অক্টোবর রোববার সকালে নিজ বাড়ি থেকে তুবা কলেজ যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হলে সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ধাপের হাট অটো স্ট্যান্ড এলাকা থেকে সকাল সাড়ে ৯ টা রনি তাকে বিভিন্ন প্রলোভন ও বিবাহর আশ্বাস দিয়ে অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের সাথে নিয়ে তুবাাকে অপহরণ করে পলাশবাড়ির দিকে নিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে তার মেয়ে আপহরনের জানতে পারে। এরপর পরিবারের লোকজন বিষয়টি জানতে পারলে মেয়ে উদ্ধারে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। এক পর্যায়ে অপহৃত মেয়েকে উদ্ধারে তারা রনির বাবা মা'র কাছে গিয়ে বিষয়টি জানায় এবং তার নাবালিকা মেয়েকে ফেরত চাইলে তারা নানাভাবে তালবাহানা ও কালক্ষেপণ করে। এক পর্যায়ে মেয়েকে ফেরত দেবে না জানিয়ে তার ছেলে রনির সাথে বিয়ে দেবে বলে জনিয়ে দেয়। পরে এ বিষয়ে রনি তার ভাই রুহান প্রামান (৩২), বাবা আব্দুর রশিদ প্রামানিক এবং মা রোজিনা বেগম (৫০) কে আসামি করে থানায় একটি ইজাহার দায়ের করেন। মামলা দায়েরের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও মেয়ে উদ্ধার না হওয়ায় উদ্যোগ উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে তুবার মাসহ স্বজনরা। মেয়েকে উদ্ধারে থানা পুলিশ সহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি। এবিষয়ে জানতে সাদুল্লাপুর থানার আফিসার ইনচার্জ এ.কে.এম হাবিবুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে ফোন রিসিভ করেন নি।