দিনাজপুরে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইন্সটিটিউটের উদ্যোগে কর্মশালার উদ্বোধন
দিনাজপুরে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইন্সটিটিউটের 'বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা ও কর্মসূচি প্রণয়ন কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়েছে। দিনাজপুরে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের কার্যালয়ের সেমিনার কক্ষে চার দিনব্যাপী এ কর্মশালার উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোকতার হোসেন। বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মাহফুজ বাজ্জাজের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ইনস্টিটিউটের প্রশাসন ও অর্থ উইং বিভাগের পরিচালক ড. মো. আব্দুল হাকিম, রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা পলাশ সরকার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর দিনাজপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ডিএডি রিয়াজ উদ্দিন ও রংপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ডিএডি ড.এস এম আবু বকর সাইফুল ইসলাম বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন। কর্মশালার উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এ পর্যন্ত বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট গমের ৩৮টি জাত ও হাইব্রিড ভুট্টার ২০টি জাত উদ্ভাবন করেছে। কর্মশালায় গম ও ভুট্টাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যাবতীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে এসময় জানানো হয়। এর আগে কর্মশালায় আগত অতিথিরা বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। কর্মশালার আগে প্রধান অতিথি যুগ্ম সচিব মোকতার হোসেনসহ অন্য অতিথিরা ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন গবেষণা প্লট ও প্লান্টেশন পরিদর্শন করেন। এসময় তাঁরা গমের বিভিন্ন উচ্চফলনশীল জাতের চারা,পরীক্ষামূলক আবাদ এবং চলমান গবেষণা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে এসব গবেষণার সম্ভাবনা ও প্রয়োগের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। কর্মশালায় ইনস্টিটিউটের চলমান গবেষণা কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ গবেষণার অগ্রাধিকার নির্ধারণ, নতুন জাত উদ্ভাবন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং কৃষক পর্যায়ে গবেষণার ফলাফল সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। যুগ্মসচিব মোকতার হোসেন বলেন, গমের আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশে উৎপাদন বাড়াতে উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবন,গবেষণা কার্যক্রম জোরদার ও কৃষক পর্যায়ে উন্নত প্রযুক্তি সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। তিনি আরো বলেন, আবহাওয়া ও জলবায়ুর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে টেকসই কৃষি উন্নয়ন সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। গম আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশকে উৎপাদনমুখী করার জন্য সবাই একসাথে কাজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। কর্মমালায় জানানো হয়, এ পর্যন্ত বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট গমের ৩৮টি জাত ও হাইব্রিড ভুট্টার ২০টি জাত উদ্ভাবন করেছে। কর্মশালায় গম ও ভুট্টাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যাবতীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে এসময় জানানো হয়। এর আগে কর্মশালায় আগত অতিথিরা বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন জেলা হতে কৃষি সম্প্রসারণ ও গবেষণা সংশ্লিষ্ট সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা,কৃষক প্রতিনিধি, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।