চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৪ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ-ভূক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে সরকারি চাকুরি দেওয়ার নামে মোসা: লাইলী (৫২) নামে এক মহিলার বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে ১৪ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মডেল প্রেসক্লাব চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর হল রুমে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভূক্তভোগি সবিরণ ও তার পরিবার সদস্যবৃন্দ। এক লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রতারক মোসাঃ লাইলী, পিতা- মোঃ ফজলুর রহমান এবং মোঃ মিন্টু (৩০) ও মোসাঃ রিমা (২৫) উভয়ের পিতা- সারোয়ার, উভয় সাং-জোড়বাগান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা, ওয়ার্ড নং-১৪, থানা ও জেলা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ। গত ডিসেম্বর-২০২৪ ইং তারিখে প্রতারকগণ আমার বাড়ি যায় এতে আমার মেয়ে মোসাঃ তাসমিন নাহার (২৪) কে চাকুরী দেওয়ার বিষয়ে আলাপ আলোচনা করে। এতে আমি চাকুরী নেওয়ার কথায় সম্মতি প্রকাশ করিলে গত জানুয়ারী-২০২৫ ইং তারিখ আমি ১০,০০০/- হাজার টাকা ও কাগজপত্র প্রদান করি। এতে আমাকে চাকুরীর অজুহাতে বিভিন্ন সময়ে জানুয়ারী হতে জুন ২০২৫ ইং পর্যন্ত গত ৬ মাসে বিবাদী আমার নিকট হতে কৌশলে নগদ হাতে হাতে ও বিকাশ মাধ্যমে সর্ব মোট ১৪ লক্ষ টাকা গ্রহন করে। তবে আমি প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারলে আমি-আমার-প্রদানকৃত টাকা ফেরত চাই। গত বছর কুরবানী ঈদের ৩ দিন পূর্বে প্রতারক লাইলীর নিকট স্থানীয় লোকজন কে সাথে নিয়ে টাকা চাইতে গেলে লাইলী ও তার ছেলে আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালি-গালাজসহ মারমুখী আচরণ করে এবং এক পর্যায়ে ২ ও ৩ নং প্রতারক আমাকে মারধর করে বাড়ি হতে বের করে দেয়।প্রতারকদয় আমাকে হুমকি প্রদান করে বলে যে, বেশি বাড়াবাড়ি করলে তোকে কোন টাকা প্রদান করা হবে না, তুই যাহা পারবি করে নিস এবং পরবর্তীর্তে টাকা চাহিতে গেলে আমাকে মারধর সহ প্রান নাশের হুমকি প্রদান করে। লাইলী ও তার ছেলে মেয়ে প্রতারণার আশ্রয় গ্রহন করিয়া আমার থেকে ১৪ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে। বিষয়টি আইনগত ভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় ও সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাছে অকুতি জানান, মানুষের বাসায় বাসায় গৃহ পরিচারিকা কাজ করা নিতানতই গরিব এক অসহায় মা। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী অভিযুক্ত লাইলী বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ জানতে তাকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার মেয়ে রিমা ফোন রিসিভ করেন এবং উত্তেজিত হয়ে প্রতারণার বিষয়টি অস্বীকার করে ফোন কেটে দেন। এ ঘটনার বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একরামুল হোসাইন পিপিএম জানান, সরকারি চাকুরি দেওয়ার নামে প্রতারণার মাধ্যমে ১৪ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করার বিষয়ে অভিযোগ এখনো পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।