শুক্রবার, নভেম্বর ০৭, ২০২৭

সুনামগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে ‘মাইআপ মেধাবৃত্তি’ পরীক্ষা

বিশেষ প্রতিনিধি ০৬ নভেম্বর ২০২৬ ০৫:১২ অপরাহ্ন সারাদেশ
বিশেষ প্রতিনিধি ০৬ নভেম্বর ২০২৬ ০৫:১২ অপরাহ্ন
সুনামগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে ‘মাইআপ মেধাবৃত্তি’ পরীক্ষা

শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর লক্ষ্যে মাইজবাড়ী ইয়ুথ ইউনাইটেড প্লাটফর্ম এর ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘মাইআপ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) মাইজবাড়ী ইয়ুথ ইউনাইটেড প্লাটফর্ম (MYUP)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় শতাধিক শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। পরীক্ষা চলাকালে বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্র পরিদর্শন করেন সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, ভূমি কর্মকর্তা জহুর আহমেদ, মাইজবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুর রহমান তহুর, সুনামগঞ্জ জেলা জজ কোর্টের আইনজীবী কামাল হোসেন এবং বুলচান্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মিনার উদ্দিন। কেন্দ্র পরিদর্শনকালে তারা পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ, ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করেন। এ ধরনের শিক্ষামূলক উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের পাশাপাশি এলাকায় শিক্ষার ইতিবাচক পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আয়োজক সূত্রে জানা যায়, মাইআপ মেধাবৃত্তি পরীক্ষার মূল লক্ষ্য কেবল মেধাবী শিক্ষার্থী নির্বাচন কিংবা বৃত্তি প্রদান নয়; বরং স্থানীয় শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত করা, তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো, পড়াশোনায় উৎসাহিত করা এবং ভবিষ্যতের জন্য যোগ্য ও আলোকিত প্রজন্ম গড়ে তোলার পথ তৈরি করা। আয়োজকদের মতে, প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই রয়েছে অপার সম্ভাবনা। প্রয়োজন শুধু সঠিক পরিচর্যা, অনুপ্রেরণা ও সুযোগ। সেই সুযোগ তৈরির ক্ষুদ্র প্রয়াস হিসেবেই মাইআপ মেধাবৃত্তি পরীক্ষার যাত্রা শুরু হয়েছে। মাইআপ মেধাবৃত্তি পরীক্ষার চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আলী আকবর বলেন, আমাদের এই আয়োজনের পেছনে সবচেয়ে বড় উদ্দেশ্য হচ্ছে মাইজবাড়ীর শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভাকে খুঁজে বের করা এবং তাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জোগানো। আমরা বিশ্বাস করি, একটি শিক্ষিত, সচেতন ও মানবিক সমাজ গঠনের ভিত্তি তৈরি হয় আজকের শিশুদের মধ্য দিয়ে। তাই এই বৃত্তি পরীক্ষাকে আমরা শুধু একটি এককালীন আয়োজন হিসেবে দেখতে চাই না; বরং এটিকে একটি দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষাবান্ধব সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে চাই। ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এ কার্যক্রম পরিচালনা, অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং শিক্ষা ও মানবকল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা তৈরি হবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।