1. tohidulstar@gmail.com : sobuj ali : sobuj ali
  2. ronju@chapaidarpon.com : Md Ronju : Md Ronju
গোমস্তাপুরে কৃষি প্রণোদনার বীজ ও সার পেয়ে লাভবান কৃষক - দৈনিক চাঁপাই দর্পণ
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ ॥ কয়েকজন আটক আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে সারা দেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন শিক্ষার্থীদের সাথে শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে এগোতে চায় সরকার ॥ তথ্য প্রতিমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে পাগলি হলেন মা পুলিশ-আন্দোলনকারী সংঘর্ষ, রণক্ষেত্র শনিরআখড়া ঢাবিতে গুলিবিদ্ধ ২ শিক্ষার্থী-আহত মানবকণ্ঠের নয়নসহ ১০ সাংবাদিক রাবির অবরুদ্ধ ভিসিকে উদ্ধার করল র‌্যাব-বিজিবি-পুলিশ শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘রাজনীতিমুক্ত ঘোষণা’, হল থেকে অস্ত্র উদ্ধার চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জেলা আ’লীগের প্রস্তুতি সভা

গোমস্তাপুরে কৃষি প্রণোদনার বীজ ও সার পেয়ে লাভবান কৃষক

গোমস্তাপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২ জুলাই, ২০২৪
  • ৫৯ বার পঠিত

গোমস্তাপুরে কৃষি প্রণোদনার বীজ ও সার পেয়ে লাভবান কৃষক

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৩১ হাজার ৮৬০ জন কৃষক প্রণোদনা পেয়েছেন। এতে বিনামূল্যে বিভিন্ন ধরণের বীজ ও সার পেয়ে লাভবান হচ্ছে কৃষকরা।কৃষি বিভাগের বিতরন কেন্দ্র থেকে নিজ দায়িত্বে প্রণোদনার বীজ ও সার সংগ্রহ করেছেন তারা। তালিকাভুক্ত কৃষক ও নারী কৃষকদেরও তালিকা অনুযায়ী প্রনোদনার বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। উপজেলা কৃষি বিভাগের তত্বাবধানে সুষ্ঠুভাবে এ প্রনোদনা বিতরণ করা হয়। এদিকে প্রণোদনার বীজ ও সার নিয়ে ফসল উৎপাদন করে অনেক কৃষক লাভবান হয়েছেন। সরকারি এই প্রণোদনা পেয়ে তারা চাষাবাদে উৎসাহিত হয়েছেন। এক ইঞ্চিও আবাদি জমি ফাঁকা না রাখার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা বাস্তবায়নে তারা কাজ করে যাচ্ছেন। উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছেন, চলতি অর্থবছরে তালিকাভূক্ত কৃষকদের মধ্যে আউস ধানের প্রণোদনা পেয়েছেন ৬ হাজার ৫০০ জন, আমন ধানের ১৬০০ জন। প্রণোদনা হিসেবে তাদেরকে জনপ্রতি ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার বিতরণ করা হয়। বোরো মৌসুমে ৫ হাজার জনকে হাইব্রিড ধানের বীজ ২ কেজি করে ও উফসী জাতের ৬ হাজার ১০০ জনকে ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার পেয়েছেন। সরিষা প্রণোদনা পেয়েছেন ৬ হাজার ৯৫০ জন, গম ৩ হাজার জন, ভুট্টা ৯০০ জন, মাসকালাই ১ হাজার ২০০ জন, খেসারী ২০০ জন, মসুর ১৫০ জন, মুগ ১১০ জন ও শীতকালীন পেঁয়াজ ১৫০ জনকে প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। দোষীমনি কাঁঠাল গ্রামের কৃষক আবুল কালাম বলেন, লিজসহ ৪ বিঘা জমিতে আউস ধান চাষাবাদ করেছেন। এর মধ্যে তিনি ১ বিঘার জন্য প্রনোদনা হিসেবে ৫ কেজি ধানের বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার পেয়েছেন। ওই বীজ বপন করে ভালো চারা তৈরি হয়েছে। রোপনকৃত চারা জমিকে ভাল হয়েছে। ফসল উৎপাদন ভাল হবে বলে তিনি মনে করছেন। এভাবে সরকার বিনামূল্যে বীজ ও সার দিলে কৃষকরা উপকৃত হবে। বাইরুল,সালাম,এমদাদুল, রবিউল ইসলামসহ অনেক কৃষক জানান, তারাও বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার পেয়েছেন। বীজগুলো মান ভাল। বাইরের বীজ কিনলে অনেকসময় ভাল হয়না। আমরা নিজ খরচে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে এই প্রণোদনা নিয়ে এসেছি। ৫ জনের গ্রুপ করে আমাদের বীজ ও দুই রকমের সার দিয়েছে। তাজকেরা নামে এক নারী কৃষক জানান, তিনি মেয়ে হিসেবে বিনামূল্যে বীজ ও সার পেয়ে বেশ খুশি। তিনি কখন ভাবিনি এগুলো পাব। তার বিলে ও বরিন্দে জমি রয়েছে। যার জমি রয়েছে তারা সবাই পাবে এটা তার প্রত্যাশা। ফখরুদ্দিন নামে এক কৃষক বলেন, কৃষি অফিস থেকে এক বিঘা জমির জন্য সরিষার বীজ ও সার পেয়েছেন। সার কিনতে হয়নি। ভাল উৎপাদন হয়েছে। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা তাকে কখন কি করতে হবে সেটার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
গোমস্তাপুর ইউনিয়নের জাহিদনগর ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শেখ আল ফুয়াদ জানান, কৃষি প্রণোদনা পেয়ে কৃষকরা উপকৃত হচ্ছেন। এসব বীজ পেয়ে কৃষকরা মাঠে চাষাবাদ করছেন। ভাল ফলনে তাদেরকে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করে প্রকৃত কৃষকদের তালিকা করে প্রনোদনার বীজ ও সার দেয়া হয়ে থাকে।
গোমস্তাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ সরকার বলেন, উপজেলার ৩১ হাজার ৮৬০জন কে চলতি অর্থবছরে বিভিন্ন ধরণের বীজ ও সার পেয়েছেন। বিনামূল্যে এসব পাওয়ার কৃষকরা উপকৃত হয়েছেন। উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি উৎপাদন হচ্ছে ধান,গম,সরিষাসহ বিভিন্ন ধরণের ফসল। এতে করে বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি আর ও জানান সঠিক সময়ে সঠিক সঠিক কৃষককে কৃষি বান্ধব সরকারের প্রণোদনা তুলেদুতে বদ্ধপরিকর উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ যুব পথ ভাবে প্রণোদনা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। এ বিষয়ে প্রণোদনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিশাত আনজুম অনন্যা বলেন, মাঠ পর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ যাচাই বাছাইপূর্বক প্রকৃত কৃষকদের তালিকা প্রণয়ন করে এবং কমিটির সর্বসম্মতিতে অনুমোদনপূর্বক প্রকৃত কৃষকদের মাঝে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ করা হয়। এক্ষেত্রে, সরকারের কৃষি বিভাগের বরাদ্দসমূহ নীতিমালার আলোকে সুষ্ঠুভাবে কৃষকদের মাঝে বন্টন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
Copyright All rights reserved © 2024 Chapaidarpon.com
Theme Customized BY Sobuj Ali
error: Content is protected !!