সোমবার, নভেম্বর ০৯, ২০২৭

সিংড়ায়সালিসের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলি ॥সংখ্যালঘুর জায়গায় ঘর নির্মাণ

সৌরভ সোহরাব-সিংড়া ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ০৫:৫১ অপরাহ্ন নাটোর
সৌরভ সোহরাব-সিংড়া ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ০৫:৫১ অপরাহ্ন
সিংড়ায়সালিসের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলি ॥সংখ্যালঘুর জায়গায় ঘর নির্মাণ

গ্রাম্য প্রধানদের সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংখ্যালঘু এক হিন্দু পরিবারের জায়গায় জবরদখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। নাটোরের সিংড়া উপজেলার ২নং ডাহিয়া ইউনিয়নের বিয়াশ বাবু পাড়ায় এমন ঘটনায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে। ভুক্তভুক্তভোগী ওই পরিবার প্রধানের নাম বিমল চন্দ্র ঘোষ। স্থানীয় ও অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, বিমল চন্দ্র ঘোষ ও প্রতিপক্ষ একই গ্রামের মোঃ আমজাদ হোসেন এর ২২ শতাংশ জায়গার সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।


এরই একপর্যায়ে গ্রাম্য প্রধানের উপস্থিতিতে মাপজোখ দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করেউভয় পক্ষকে শান্ত করলেও কিছুদিন পর প্রতিপক্ষ মোঃ আমজাদ হোসেন গ্রাম্য প্রধানদের মাপজোখ  অমান্য করে ঘর নির্মাণ করেন। ভুক্তভোগী বিমল চন্দ্র ঘোষের পুত্রবধু ববি ঘোষ জানান, শশুড়-শাশুড়ী সবাইকে নিয়ে আমরা বগুড়ায় থাকি। জবরদখল করে আমাদের জায়গায় ঘর নির্মাণের  কথা শুনে গ্রামে এসেছি। থানায় অভিযোগ করেছি। পুলিশ এসে কাজ বন্ধ রেখেছে। আমরা ন্যায় বিচার চাই। ভুক্তভোগী বিমল চন্দ্র ঘোষ জানান, আমার বাপদাদার খতিয়ানভুক্ত জমি। প্রতিপক্ষ আমার অন্য ভাগির কাছ থেকে যে জায়গা কিনেছে, সেটা এটা না।


বাড়ির পিছনে। রাস্তার সামনের জায়গাটা আমার। এ নিয়ে গ্রামে একাধিক সালিস হয়েছে। গ্রাম্য প্রধানগণ মাপজোখ দিয়ে সীমানা নির্ধারন করে দিয়েছেন। কিন্তু প্রতিপক্ষ কোন কিছুই মানছেন না। সীমানা বেড়া ভেঙ্গে জোর করে ঘর নির্মাণ করছেন। আমি ন্যায় বিচার চাই।প্রতিপক্ষ মোঃ আমজাদ হোসেন বলেন, আমিন দিয়ে জায়গা মাপার দিন আমি বাড়ি ছিলাম না। এটা আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তি। তারা আমাকে দখল দিচ্ছেন না।   আদালতে মামলা চলমান আছে। আদালতের বিজ্ঞ জিপির মতামতেই আমার জায়গায় আমি ঘর নিমার্ণ করছি। আমার দলিল আছে। অন্য কারও জায়গা জবরদখল করছি না।সিংড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।