1. tohidulstar@gmail.com : sobuj ali : sobuj ali
  2. ronju@chapaidarpon.com : Md Ronju : Md Ronju
রাবিতে রাতভর ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ॥ ককটেল বিস্ফোরণ ॥ আহত ৬ - দৈনিক চাঁপাই দর্পণ
মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘ঘূর্ণিঝড় রেমাল’ লণ্ডভণ্ড উপকূল ॥ প্লাবিত গ্রামের পর গ্রাম ॥ ক্ষতি আমেরও ॥ ঢাকার উপর আঘাত জয়পুরহাটে মিটার চুরি করতে গিয়ে বিদুৎস্পৃষ্টে একজনের মৃত্যু ভোলাহাটে আলালপুর মাদ্রাসায় নিয়মবহির্ভূত নিয়োগ বন্ধের দাবি এলাকাবাসীর র‌্যাবের হাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩টি ওয়ান শুটারগানসহ গ্রেফতার এক ঘূর্ণিঝড় রিমাল’র তাণ্ডবে কয়েকটি জেলায় ৭ জনের মৃত্যু স্থলভাগে এসে দুর্বল হলো ‘রেমাল’ ॥ গভীর নিম্নচাপে পরিণত গাইবান্ধায় বিপুল পরিমান নেশার ট্যাবলেট ট্যাপেনটাডলসহ ব্যবসায়ী গ্রেফতার ভোলায় রেমালের তাণ্ডবে ঘরের নিচে চাপা পড়ে নারীর মৃত্যু ‘ঘূর্ণিঝড় রেমাল’ এর কবলে পড়ে সাতক্ষীরায় বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত স্থলভাগে এসে দুর্বল হলো ‘রেমাল’ ॥ গভীর নিম্নচাপে পরিণত

রাবিতে রাতভর ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ॥ ককটেল বিস্ফোরণ ॥ আহত ৬

রাজশাহী প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১২ মে, ২০২৪
  • ২৩ বার পঠিত

রাবিতে রাতভর ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ॥ ককটেল বিস্ফোরণ ॥ আহত ৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রাতভর চলা এই সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। আহত হয়েছেন অন্তত ৬ জন। শনিবার (১১ মে) রাত ১২টার দিকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের আবাসিক এলাকায় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে প্রথমে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এরপর থেমে থেমে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। এতে রাবি ক্যাম্পাসের আবাসিক হলের ছাত্রদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেখানে এখনও উত্তেজনা চলছে। জানা যায়, রাবি সোহরাওয়ার্দী হলে শনিবার রাত ১১টার পর টিভিরুমে বসা নিয়ে হলের সভাপতি নিয়াজ মোর্শেদের সঙ্গে হল কমিটির সহ-সভাপতি আতিকুর রহমানের কথা কাটাকাটি হয়। আতিকুর রহমান রাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুর অনুসারী। এ-নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দু’জনের মধ্যে কথা কাটাকাটির সূত্র ধরে পরে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ সময় দেশীয় অস্ত্রের মহড়াও দেখা যায়। পুরো ক্যাম্পাস জুড়েই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তবে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ক্যাম্পাসের বাইরে ও ভেতরে অতিরিক্ত পুলিশ অবস্থান করছে। ঘটনার পর রাবি উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) হুমায়ূন কবির সাংবাদিকদের জানান, তারা পরিস্থিতি বুঝে উঠতে পারেননি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার কাজ করছেন। পুলিশও কাজ করছে। রাজশাহীর মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ এসএম মোবারক পারভেজ জানান, খবর পেয়ে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে রাত পৌনে ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সাউদসহ হল প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ক্যাম্পাসে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। এরপর ঘটনাস্থলে যান সহ-উপাচার্য সুলতান-উল-ইসলাম ও অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) তারিকুল হাসান। রাত আড়াইটা পর্যন্ত থেমে থেমে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও উত্তেজনা চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে রাত পৌনে ৩টার দিকে।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, সোহরাওয়ার্দী হলের গেস্টরুমে বসে আমার কিছু অনুসারীরা সাংগঠনিক কাজ করছিলেন। তখন হলের সভাপতি নিয়াজ মোর্শেদ এসে আমার অনুসারীদের বের হয়ে যেতে বলেন। আমার অনুসারীরা তাদের কাছে দুই মিনিট সময় চাইলে এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে নিয়াজ, হলে বহিরাগতদের ঢুকিয়ে আমার অনুসারীদের ওপর রেললাইনের পাথর, ইট ও ককটেল নিক্ষেপ করে। এতে আমার পাঁচ থেকে ছয়জন কর্মী আহত হয়। এ ব্যাপারে আমি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেব।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের সভাপতি নিয়াজ মোর্শেদ বলেন, ওই গেস্টরুমে বসা নিয়ে প্রথমে আমাদের মধ্যে একটু বাকবিতণ্ডা হয়েছিল। কিন্তু এক পর্যায়ে সভাপতির অনুসারীদের কয়েকজন এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। বিষয়টি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। তবে এ ঘটনায় আমার পক্ষের কেউ আহত হয়নি। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে রাতেই কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক। তিনি বলেন, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি অনাকাংক্ষিত ঘটনা। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। রামদা নিয়ে মহড়া ও ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়টি প্রশাসন খতিয়ে দেখবে। শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেছেন, হলের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে এবং বহিরাগতদের ঠেকাতে কক্ষে কক্ষে তল্লাশি চালানো হয়েছে। দেশীয় অস্ত্র থাকতে পারে, এমন কক্ষেও তল্লাশি করা হয়েছে। তবে ভাঙা ইট ও চেয়ারের হাতল জাতীয় জিনিস ছাড়া অন্য কিছু পাওয়া যায়নি। হলের পরিবেশ শান্ত রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
Copyright All rights reserved © 2024 Chapaidarpon.com
Theme Customized BY Sobuj Ali
error: Content is protected !!