শুক্রবার, অক্টোবর ০৯, ২০২৭

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আরও ৬১ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি ॥ একজনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি ০৯ অক্টোবর ২০২৬ ০৫:৫৬ অপরাহ্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জ
নিজস্ব প্রতিনিধি ০৯ অক্টোবর ২০২৬ ০৫:৫৬ অপরাহ্ন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আরও ৬১ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি ॥ একজনের মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু পরিস্থিতি দিন দিন অবনতি হচ্ছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে আরও ৬১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যুর তথ্য নিবন্ধিত হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রকাশিত সর্বশেষ দৈনিক ডেঙ্গু প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় মোট ২ হাজার ২৯৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। এ সময়ে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ৫৫ জন, শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন, গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ জন এবং নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন রয়েছেন। জেলা হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে ২২ জন পুরুষ ও ৩৩ জন নারী। ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন কোনো রোগী ভর্তি হননি। বর্তমানে জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে ৯৯ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে জেলা হাসপাতালে ৭১ জন, গোমস্তাপুরে ১৪ জন, নাচোলে ৪ জন, ভোলাহাটে ৫ জন এবং শিবগঞ্জে ৫ জন রয়েছেন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫১ জন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য একজনকে রেফার্ড করা হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দীন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। এডিস মশার বিস্তার রোধে সবাইকে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, ডাবের খোসা ও অন্যান্য পাত্রে জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ করতে হবে। কোথাও যেন তিন দিনের বেশি পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। পাশাপাশি দিনের বেলাতেও মশার কামড় থেকে বাঁচতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথাসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তি, পরিবার ও সামাজিক পর্যায়ে সম্মিলিত উদ্যোগ এবং সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।