গোপালগঞ্জে হামের প্রাদুর্ভাব ॥ ২৪ ঘণ্টায় নতুন ২০ রোগী ভর্তি
গোপালগঞ্জে হামের প্রাদুর্ভাব ॥ ২৪ ঘণ্টায় নতুন ২০ রোগী ভর্তি
গোপালগঞ্জে হঠাৎ করেই হাম উপসর্গের রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে ২০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বিশেষ করে শিশু ও কিশোররা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, রোগীর সংখ্যা বাড়ার কারণে হাসপাতালগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গোপালগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল ৯টা থেকে রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ২০ রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে গোপালগঞ্জ সদরে ৫ জন, কোটালীপাড়ায় ৯ জন, কাশিয়ানীতে ২ জন, টুঙ্গিপাড়ায় ১ জন ও মুকসুদপুর উপজেলায় ৩ জন রয়েছেন। সিভিল সার্জন ডা. আবু সাইদ মো. ফারুক জানান, চলতি বছর হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ এপ্রিল সকাল ৯টা পর্যন্ত ১১৩ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকা পাঠানো হয়েছে। ঢাকা থেকে পাওয়া প্রতিবেদনে মুকসুদপুর উপজেলার ৬ মাস ও ৭ মাস বয়সী দুই শিশুর শরীরে হাম সনাক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, তিনি দুই শিশুর বাড়ি গিয়ে তাদের খোঁজ-খবর নিয়েছেন। তারা সুস্থ আছে। এছাড়া হামের উপসর্গে আক্রান্ত ৬৫ জন হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ্ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। ফারুক বলেন, “নতুন রোগীর সংখ্যা বেড়েছে; তবে এটি আশঙ্কাজনক নয়। অন্য জেলাগুলোর তুলনায় গোপালগঞ্জে হাম সংক্রমণের হার কম। আমাদের ভ্যাক্সিনেশন কর্মসূচি এখনও শুরু হয়নি, তবে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া আছে। মুকসুদপুরের আক্রান্ত এলাকায় দ্রুত ভ্যাক্সিনেশন শুরু করা হবে। আক্রান্তদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করছি। আইসোলেশন ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত ওষুধের ব্যবস্থা রয়েছে। সিভিল সার্জন সবাইকে প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যেতে এবং জনসমাগম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।