1. tohidulstar@gmail.com : sobuj ali : sobuj ali
  2. ronju@chapaidarpon.com : Md Ronju : Md Ronju
নিয়ামতপুরে আউশ ধান কাটা-মাড়াইয়ে ব্যস্ত কৃষক - দৈনিক চাঁপাই দর্পণ
শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যমুনায় ভাঙন ॥ বিলীন হচ্ছে বসতভিটা-জমি ॥ হুমকিতে বিভিন্ন স্থাপনা ধেয়ে আসছে রেমাল তাণ্ডব চালাবে ১২০ কি.মি বেগে র‌্যাবের হাতে মাদক কেনা-বেচার সময় ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নিম্নচাপে রূপ নিলো বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ- বন্দরে সতর্কতা সংসদ আনার হত্যাকান্ড ॥ ৮ দিনের রিমান্ডে তিন আসামি পেশাদার সাংবাদিকতা চর্চার পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছে সরকার-তথ্য প্রতিমন্ত্রী ঝিনাইদহে প্রবাসীর স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যা ॥ আটক ২ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েও ৭৮২৩ ভোট পেলেন ইব্রাহিম গোমস্তাপুরে ২৯তম জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহের উদ্বোধন আরএমপি’র অভিযানে দুই মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

নিয়ামতপুরে আউশ ধান কাটা-মাড়াইয়ে ব্যস্ত কৃষক

নিয়ামতপুর (নওগাঁ) সংবাদদাতা
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৩
  • ৯৫ বার পঠিত

নিয়ামতপুরে আউশ ধান কাটা-মাড়াইয়ে ব্যস্ত কৃষক

শরতের নীল আকাশজুড়ে ভেসে বেড়ায় সাদা মেঘের ভেলা। কখনো কালো মেঘ জমাট বাঁধে, কখনো সাদা মেঘের ভেলা ভেসে বেড়ায়, আবার কখনো সূর্যের দহনজ্বালা। এভাবেই পার হয়ে যাচ্ছে শরৎকাল। নওগাঁর নিয়ামতপুরে শুরু হয়েছে আউশ ধান কাটা মাড়াই। উপজেলায় আউশ ধানের ফলন ও বর্তমান বাজার দর ভালো থাকায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। নিয়ামতপুর উপজেলার কৃষি অফিসের তথ্যমতে, উপজেলায় চলতি মৌসুমে আউশ ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৯ হাজার ৫৬০ হেক্টর জমিতে। হেক্টর প্রতি আমন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫.৪ মেট্রিক টন।
কৃষকদের মতে, প্রতি বিঘা জমিতে ধান রোপন থেকে শুরু করে কাটা-মাড়াই পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৭ হাজার থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু প্রতি বিঘা জমিতে ধানের ফলন ১৭ থেকে ১৮ মণ হচ্ছে। বর্তমান বাজারে ধানের রকম ভেদে ৮৫০ টাকা থেকে ৯৫০ টাকা মণ পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। উপজেলার আউশ চাষিরা বলছেন, মৌসুমের শুরু থেকে আবহাওয়া অনুকুলে না থাকায় ধান গাছে রোগ বালাইয়ের কারণে ওষুধ ব্যবহার করতে হয়েছে। দীর্ঘ দিন বৃষ্টি না হওয়ায় জমিতে সেচ দিতে হয়েছে। এজন্য এবার আউশ ধান উৎপাদনে বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে। তবে আউশের বাম্পার ফলন ও বাজার দর ভালো থাকায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। উপজেলা কৃষি অফিসার কামরুল হাসান বলেন, উপজেলায় ৯ হাজার ৫৬০ হেক্টর জমিতে আউশ ধান রোপন করা হয়েছে। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর আউশ ধানের আবাদ একটু বেশি হয়েছে। তিনি আরোও বলেন, দুই এক জায়গায় ধানের ফলন কম হতে পারে। কিন্তু অধিকাংশ জমিতেই ধানের ফলন বেশি হয়েছে। দাম ও ফলন ভাল হওয়ায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
Copyright All rights reserved © 2024 Chapaidarpon.com
Theme Customized BY Sobuj Ali
error: Content is protected !!