1. tohidulstar@gmail.com : sobuj ali : sobuj ali
  2. ronju@chapaidarpon.com : Md Ronju : Md Ronju
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে শরতের সারি সারি কাশফুল! - দৈনিক চাঁপাই দর্পণ
রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৬:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোদাগাড়ির কাশিমপুর এ.কে ফজলুল হক হাইস্কুলের কমিটি বাতিলে অভিযোগ দায়ের নাচোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জায়গা দখল করে দলীয় পার্টি অফিস দর্পণে সংবাদ প্রকাশের পর থেকে আমরা টিসিবি পণ্য সঠিক ভাবে পাচ্ছি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবির ফেন্সিডিল উদ্ধার ভোলাহাটে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল গান্ধী আশ্রমের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনে ৫২ সদস্যের ভারতীয় দল সোনমসজিদে নিয়ামতপুরে শুরু হলো বাংলার ঐতিহ্য তালতলীতে তৃতীয়বারের মত তালপিঠা মেলা নিয়ামতপুরে কৃষি জমিতে হেলিপ্যাড নির্মাণ আতঙ্কে কৃষকেরা নাচোলে বৈদ্যুতিক উৎস থেকে আগুন লেগে একটি বাড়ি ভস্মিভূত চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের হাতে হেরোইনসহ আটক এক

চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে শরতের সারি সারি কাশফুল!

মু: শফিকুল ইসলাম-(নিজস্ব প্রতিনিধি)
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১১৯ বার পঠিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে শরতের সারি সারি কাশফুল!

বর্ষার শেষেই শুরু হয় শরতের রাজত্বকাল। শরৎ বেশ তাৎপর্য বহন করে প্রকৃতি প্রেমি আর ভ্রমণ পিপাষুদের কাছে। শরৎ ঘীরে রয়েছে কাশফুলের চমৎকার মিতালী। রোমাঞ্চে ভরা কাশফুলের নরম শুভ্রতা নিয়ে বরেণ্য কবিদের অসংখ্য কবিতার পঙ্ক্তিমালা মন ছুঁয়ে যাবে যে কারো। শরৎ নিয়ে কবিতা লিখেছেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কবি নির্মেলেন্দু গুণসহ বিখ্যাত কবিরা। শরৎ মানেই নিল আকাশের নিচে ডানা মেলা পরীর মতো সাদা সাদা কাশফুল। আবহমানকাল থেকে শরৎে জেগে উঠা কাশফুল এখন অনেক নদীতীর কিংবা বরেন্দ্র অঞ্চল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার প্রকৃতিতে কাশফুলের দেখা মেলা কল্পনাতীত। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত পদ্মা, মহানন্দা নদীর পাড়ে জেগে উঠা চরে সারিবদ্ধ কাশফুলের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। এসব কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিনই দেশের নানা প্রান্ত থেকে ছুটে আসা পর্যটকদের জটলা লেগেই থাকতো। এখন আর তেমন চোখে পড়ে না। ওই দু’টো নদীর তীর ঘেঁষে জেগে উঠা বালুচরে দেখা মিলে কিছু সাদা কাশফুলের অভয়ারণ্য। যদিও লোকচক্ষুর আড়ালে হওয়ায় এখানকার কাশবন নিয়ে মাতামাতি খুব একটা নেই। সাধারণত নদীর তীর কিংবা গ্রামের উঁচু জায়গায় কাশবনের দেখা মেলে বেশি। তবে নদীর তীরেই কাশফুল বেশি জন্মাতে দেখা যায়। বন আর গাছের ছায়ায় অনেকটা আড়ালে পরে যাওয়ায় সাধারণত কাশফুল মূল সড়ক থেকে অনেকটা দেখা যায় না। কিন্তু প্রকৃতি প্রেমীদের চোখ ফাঁকি দেয়া সম্ভব না যে, তা এখানকার স্থানীয় কয়েক যুবকের সাথে কথা বলে জানা গেছে। এক দশক আগেও এই এলাকার জেগে উঠা বালুচরে সাদা কাশফুলের নরম স্নিগ্ধতা উপভোগ করতে ছুটে আসতেন ভ্রমণ পিপাষু প্রকৃতি প্রেমীরা। নদীর তীরবর্তী এলাকায় চোখ মেললেই দেখা যেত নীল আকাশের নীচে হাতছানি দিচ্ছে অসংখ্য সাদা কাশফুলের লম্বা সারি। এতকিছুর পরও যথাযথ উদ্যেগ না থাকায় এখানকার পরিবশে-প্রকৃতি ও কাশফুলের অপার সৌন্দর্য দেখতে আগের মতো লোকজন খুব একটা আসেন না বলে জানা যায়। স্থানীয় একজন সমাজকর্মী জানান, একটা সময় প্রচুর কাশফুল ছিল, বিকেল বেলা ঘুরতে আসা মানুষের ভিড় লেগে থাকত। এখন অযত্ন আর অবহেলার কারনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অবশিষ্ট কাশফুল। তবে যথাযত কর্তৃপক্ষ নজর দিলে সংরক্ষণ করা সম্ভব। তিনি বলেন, প্রকৃতি বেশ বৈচিত্রময়, শুধু কাশফুল নয়, আশপাশের মনজুড়ানো দৃশ্য দেখে মনে হচ্ছে পর্যটক সম্ভানা হাতছানি দিচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পরিবেশবিদ্ জানান, শরৎকালীন বিশেষ সময়ে সাধারণত কাশফুল ফুটে, এটি একটি বিশেষ ফুল। বর্তমানে পদ্মা ও মহানন্দা নদীর তীরে অনেক জায়গায় কাশফুলে দেখা মিললেও সংরক্ষণের অভাবে কাশফুল হারিয়ে যাচ্ছে। নদী কেন্দ্রিক জেগে উঠা কাশবন আগামী প্রজন্ম যাতে দেখতে পারে তার যথাযথ সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি প্রয়োজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
Copyright All rights reserved © 2022 Chapaidarpon.com
Theme Customized BY Sobuj Ali
error: Content is protected !!