লালমনিরহাট সীমান্তে গুলিতে নিহত বাংলাদেশির লাশ নিয়ে গেছে বিএসএফ
লালমনিরহাট সীমান্তে গুলিতে নিহত বাংলাদেশির লাশ নিয়ে গেছে বিএসএফ
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি এক নাগরিক নিহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বিজিবি। তবে নিহতের লাশ নিয়ে গেছে বিএসএফ। বুধবার ভোররাতে উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের ধবলগুড়ি সীমান্তের পানিয়ার টারি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলী হোসেন (৪৯) ধবলগুড়ি (পূর্ব পানিয়ারটারী) গ্রামের মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে। ৬১ তিস্তা বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনিম সাংবাদিকদের জানান, এ ঘটনার পর সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক পর্যায়ে মোবাইল ফোনে কথা হয়েছে।
বিজিবি ও স্থানীরা জানায়, বুধবার ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে তিস্তা ব্যাটালিয়নের অধীন ধবলগুড়ি সীমান্ত পিলারের কাছে ভারতের অভ্যন্তরে দুই দফা গুলির শব্দ শোনা যায়। এতে আলী হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর অবস্থায় বিএসএফ সদস্যরা তাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ভারতের একটি হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফজলে মুনিম জানান, ঘটনার বিস্তারিত যাচাই-বাছাই ও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি দুই দেশের সীমান্তরক্ষা বাহিনীর মধ্যে ব্যাটালিয়ন ও সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার সকালে একই উপজেলার ধবলসুতি বিওপির সীমান্তের কাছে গাটিয়ার ভিটা এলাকায় বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি এক যুবক আহত হন। এ ঘটনার জেরে স্থানীয়রা ভারতীয় এক নাগরিককে দুটি গরুসহ আটক করে নিয়ে আসে বলে জানান পাটগ্রাম থানার ওসি নাজমুল হক। পরে ওই দিন বিকেলে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে এক বৈঠকের পর আটক ভারতীকে ফেরত দেওয়া হয়।