শুক্রবার, আগস্ট ০৭, ২০২৭

গোমস্তাপুরে শহীদ মিনারে জুতা পায়ে এসিল্যান্ড-ভাইস চেয়ারম্যান ও সমাজসেবা অফিসার

WP Import ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ০৯:০৮ অপরাহ্ন গোমস্তাপুর
WP Import ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ০৯:০৮ অপরাহ্ন
গোমস্তাপুরে শহীদ মিনারে জুতা পায়ে এসিল্যান্ড-ভাইস চেয়ারম্যান ও সমাজসেবা অফিসার
গোমস্তাপুরে শহীদ মিনারে জুতা পায়ে এসিল্যান্ড-ভাইস চেয়ারম্যান ও সমাজসেবা অফিসার

গোমস্তাপুরে শহীদ মিনারে জুতা পায়ে এসিল্যান্ড-ভাইস চেয়ারম্যান ও সমাজসেবা অফিসার

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে শহীদ মিনারের বেদীর সিঁড়িতে জুতা পায়ে উঠার অভিযোগ উঠেছে এসিল্যান্ড, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও সমাজসেবা অফিসারের বিরুদ্ধে। বুধবার বেলা ১১টায় উপজেলা প্রশাসন গৃহীত মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা চলাকালীন শহীদ মিনারে বক্তব্য দিতে উঠার সময় এ ঘটনা ঘটে বলে উপস্থিত জনতা নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় শহীদদের অবমাননায় তীব্র নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে বিভিন্ন মহলে। অভিযুক্তরা হলো উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল ফেরদৌস ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান নুহু এবং সঞ্চালকের দায়িত্বে থাকা উপজেলা সমাজসেবা অফিসার নুরুল ইসলাম।

এ নিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন মহলেও চলছে চাপা ক্ষোভ ও সমালোচনা। শহীদ মিনারের মত পবিত্র জায়গায় জুতা পরে তা সিঁড়িতে রেখে বক্তব্য ও সঞ্চালনা করার বিষয়টি নিয়ে কথা হয় সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল ফেরদৌস এবং সমাজসেবা অফিসার নুরুল ইসলাম এর সাথে। তাঁরা দুজনেই এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর সাথে কথা বলতে বলেন। তবে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান নুহু বলেন, আমি জুতা খুলে শহীদ মিনারে উঠেছি। অসাবধানতা বসত দু-একটি সিড়িতে উঠে গেছিলাম। তবে শহীদদের প্রতি আমাদের সম্মান অকৃত্রিম। এমনটি আর হবে না।’
এদিকে, জেলা ইউনিটের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার ও গোমস্তাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা তাজুল ইসলাম সোনার্দি বলেন, ‘আমি অসুস্থতার কারণে আজকে উপজেলা প্রশাসনের প্রোগ্রামে অংশ নিতে পারিনি। তবে কেউ যদি শহীদ মিনারে জুতা পায়ে উঠে থাকে তবে তা শহীদদের প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে। আমি এটার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
এদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিশাত আনজুম অনন্যা জানান, এমন অভিযোগ কেউ তার কাছে করেনি এবং বিষয়টি সত্য নয়। আমি অনুষ্ঠানে ছিলাম। সেখানে বেদীতে কাউকে জুতা পরা অবস্থায় দেখিনি।’ তবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আহমেদ মাহবুব-উল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমরা শুনেছি। তাঁরা অসতর্কতার সাথে এ কাজটি করেছেন। তাদেঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয়ভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অপরদিকে, জেলা প্রশাসক এ কে এম গালিভ খাঁন বলেন, জুতা পায়ে শহীদ বেদী কিংবা সিঁড়িতে উঠার কোন সুযোগ নেই। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।