1. tohidulstar@gmail.com : sobuj ali : sobuj ali
  2. ronju@chapaidarpon.com : Md Ronju : Md Ronju
বিএনপি ভোটে এলে সুযোগ দিয়ে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হবে-ইসি রাশেদা সুলতানা - দৈনিক চাঁপাই দর্পণ
শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩০৯ জন পেলো প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার চাঁপাইনবাবগঞ্জে দু’জনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড বায়ুদূষণ রোধে প্রয়োজন জনসচেতনতা ও আইনের যথাযথ প্রয়োগ-স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এমপি আনার হত্যাকান্ড ॥ ৮ দিনের রিমান্ডে আ’লীগ নেতা মিন্টু বগুড়ায় আইএফআইসি ব্যাংক’র সিন্দুক কেটে ২৯ লাখ টাকা লুট পাবনায় কলেজ ছাত্র হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড আরএমপি’র শাহমখদুম থানার অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আজিজুলকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব শিবগঞ্জের পাঁকায় ভিজিএফের চাল বিতরণ শিবগঞ্জে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের গতিশীলতা আনয়ন শীর্ষক প্রশিক্ষণ

বিএনপি ভোটে এলে সুযোগ দিয়ে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হবে-ইসি রাশেদা সুলতানা

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১০৪ বার পঠিত

বিএনপি ভোটে এলে সুযোগ দিয়ে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হবে-ইসি রাশেদা সুলতানা

বিএনপিসহ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়ে আন্দোলনকারী দলগুলো ভোটে আসতে চাইলে এবং সে কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানালে আলোচনা করে সুযোগ তৈরির সম্ভাবনার কথা বলেছেন নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা। নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা সোমবার নির্বাচন ভবনে নিজের দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, নিশ্চয় আমরা আলোচনা করব। সিদ্ধান্ত নেব। উনারা সিদ্ধান্ত নিলে, আসতে চাইলে অবশ্যই আমরা ওয়েলকাম করব। কখনোই চাইব না যে, উনারা আসতে চেয়েছেন, আমরা ফিরায়ে দেব। বিএনপি যদি ভোটে ফিরতে চায়, তফসিল পরিবর্তনের কথা ইসি বিবেচনা করবে কি না-সাংবাদিকের এমন প্রশ্নে উত্তরে ২০১৮ সালের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদা সুলতানা বলেন, দেখেন, যদি ফিরতে চায়, আমার জানামতে পূর্বেও উনারা একটু পরেই এসেছিলেন এবং সুযোগটা পেয়েছিলেন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরানোর দাবিতে ২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জন করেছিল বিএনপি ও সমমনা দলগুলো। ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়েও বিএনপি দ্বিধায় ছিল। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে তাদের আলোচনা হয়। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নামে নতুন জোট গড়ে বিএনপি ভোটে অংশ নেয়। ঐক্যফ্রন্টের অনুরোধে মনোনয়নপত্র জমার সময় বাড়িয়ে ২৩ ডিসেম্বরের ভোট পিছিয়ে ৩০ ডিসেম্বর করা হয়। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেন, “উনারা যদি আসেন, আমরা কমিশনাররা বসব। আইন-কানুন দেখব। তারপর যেটা সিদ্ধান্ত হয়, অগ্রিম কিছু বলতে পারব না। এলে তো বিবেচনা করবই। অবশ্যই করব। আমরা তো চাই সব দল এসে একটা সুন্দর নির্বাচন হোক।
তিনি বলেন, উনারা এলে আমরা ওয়েলকাম করব। এটার জন্য আইন অনুযায়ী যেভাবে পথ সৃষ্টি করতে হবে, সেভাবে করব। কিন্তু আগেই বলব না।
মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ৩০ নভেম্বর গত করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলেরও শেষ দিন, সে কারণে তফসিল পুনঃনির্ধারণের দাবি জানিয়েছে সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে রাশেদা সুলতানা বলেন, এই বিষয়টাতে আমরা কিছুই বলব না। অগ্রিম বলার সময় এখনো আসে নাই। যখন আসবে, যেটা হবে সেটাই বলব। পরিস্থিতি যখন আসবে, পরিস্থিতি দেখে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। অগ্রিম এ বিষয়ে কোনো কথাই বলব না। বলা উচিত না। তিনি বলেন, যদি সময় বাড়ানো প্রয়োজন হয়, বাড়ানো হবে। যদি বাড়ানোর মধ্যে না হয়ে, এমনিই হয়, তাহলে হবে। কোনো অসুবিধা নাই। যদি এই তফিসলের মধ্যেই আসেন, তাহলে তো তফসিলে হাত দেওয়ার দরকার নেই। এক প্রশ্নের জবাবে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের সুযোগ এখনও আছে। মাঠে রাজনীতিতে যখন বিভাজন তৈরি হয়েছে, তখন শান্ত নাকি অশান্ত তা আমার বলতে হবে না। কিন্তু অশান্ত আছে, তাই বলে শান্ত হবে না এমন কোনো কথা নেই। যে কোনো মুহূর্তে শান্ত হতে পারে। দলগুলোর উদ্দেশে রাশেদা সুলতানা বলেন, আমাদের প্রতি আস্থা রাখেন। আসেন, নির্বাচন করেন। নিঃসন্দেহে আপনারা একটা ভালো সুষ্ঠু, সুন্দর, নির্বাচন করার সুযোগ পাবেন। নিশ্চয় আমরা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করব। ভোটাররা এসে স্বাধীনভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। তাদের যাকে ইচ্ছা তাকে মনোনয়ন করবেন।
উল্লেখ্য, আগামী ৭ জানুয়ারি ভোটের দিন রেখে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। সেই সূচি অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত, বাছাই হবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর। তার তিন সপ্তাহ পর হবে ভোটগ্রহণ। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ হবে। সেক্ষেত্রে মনোনয়নপত্র জমার জন্য ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে এবং প্রচারের জন্য ১৯ দিন সময় রয়েছে। ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রচার শেষ করতে হয়। অর্থাৎ, ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ভোটের প্রচার চালানোর সুযোগ থাকবে। তফসিল ঘোষণার পর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করলেও বিএনপি এবং সমমনা দলগুলো হরতাল-অবরোধের মত কর্মসূচিতে রয়েছে। তাদের দাবি, বর্তমান সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে এবং নির্বাচন হতে হবে নির্দলীয় সরকারের অধীনে। গত ১৬ নভেম্বরে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বিবাদমান রাজনৈতিক দলগুলোকে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, নির্বাচন কমিশন নির্বাচনে সকল দলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে সর্বদা স্বাগত জানাবে। পারস্পরিক প্রতিহিংসা, অবিশ্বাস ও অনাস্থা পরিহার করে সংলাপের মাধ্যমে সমঝোতা ও সমাধান অসাধ্য নয়। সংলাপের বার্তা দেওয়া হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকেও। কিন্তু আওয়ামীলীগ বা বিএনপি কোনো পক্ষই তাতে সাড়া দেয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
Copyright All rights reserved © 2024 Chapaidarpon.com
Theme Customized BY Sobuj Ali
error: Content is protected !!