1. tohidulstar@gmail.com : sobuj ali : sobuj ali
  2. ronju@chapaidarpon.com : Md Ronju : Md Ronju
বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের বিশেষ স্মার্টকার্ডের ব্যবস্থায় নির্বাচন কমিশন ॥ আগ্রহ নেই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের - দৈনিক চাঁপাই দর্পণ
রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁপাই-সোনামসজিদ মহাসড়ক প্রয়োজন চারলেন ॥ অপ্রশস্ত সড়কে ভোগান্তি ॥ প্রশস্তকরণের সিদ্ধান্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুর্গম চর থেকে ৩ কেজি হেরোইনসহ তিনজন আটক প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারাগারে ১০টি টেলিভিশন প্রদান চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে অর্থ ও ঈদ উপহার পেলেন ৮৪৯ জন দুদু-এমপির হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর হ্যাক ॥ টাকা চেয়ে খুদে বার্তা-জেলা জুড়ে সমালোচনার ঝড় জয়পুরহাটে মাত্র ১০ টাকায় ঈদের বাজার জেম হত্যা মামলার চার্জশিট দিতে সাংসদ আব্দুল ওদুদ’র কড়া হুশিয়ারী চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় টিসিবির পণ্য বিক্রয় উদ্বোধন ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ জয়পুরহাটে ক্লুলেস হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার পূণর্ভবা স্কাউট গ্রুপের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের বিশেষ স্মার্টকার্ডের ব্যবস্থায় নির্বাচন কমিশন ॥ আগ্রহ নেই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২০ মার্চ, ২০২৪
  • ৩০ বার পঠিত

বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের বিশেষ স্মার্টকার্ডের ব্যবস্থায় নির্বাচন কমিশন ॥ আগ্রহ নেই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের

বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের জন্য বিশেষ স্মার্টকার্ড দেয়ার ব্যবস্থা নিলেও কার্ড নেয়ার জন্য আগ্রন নেই বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের। যাঁরা আবেদন করেছেন তাঁদের সংখ্যা খুবই নগন্য। জানা গেছে, দেশে জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৯৮ হাজার ৫৪১ জন। অথচ তাদের ৯৯ শতাংশেরও বেশি ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ লেখা বিশেষ স্মার্টকার্ড নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ১২০ জনের আবেদন যাচাই করে চূড়ান্ত করা হয়েছে। ১২৩ জনের আবেদন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। আরও ১০০ জনের মতো আবেদন প্রক্রিয়াধীন আছে। সব মিলিয়ে আবেদন পড়েছে মাত্র ৩৪৩ জনের মতো। শতাংশের হিসেবে যা এক শতাংশও নয়। ইসির জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন (এনআইডি) অনুবিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিশেষ স্মার্টকার্ড দেয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন উদ্যোগ নিলেও তাতে তেমন সাড়া নেই। তবে কেউ এলে তাকে যত্ন সহকারে কার্ড দেয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে কেউ আবেদন করলে তার সনদ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে যাচাইয়ের পর বিশেষ স্মার্টকার্ড দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম ও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যাদের আবেদন যাচাই করে চূড়ান্ত করা হয়েছে, বা হবে তাদের কার্ড ছাপিয়ে সচিবের কাছে উত্থাপন করা হবে। এক্ষেত্রে কীভাবে বিতরণ করা হবে সে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সারা দেশের সব উপজেলা পর্যায়ে আবেদন গ্রহণ চলমান আছে। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে তেমন আবেদন পড়ছে না।
বিশেষ স্মার্টকার্ড দেয়ার ক্ষেত্রে মাঠ কর্মকর্তাদের চার নির্দেশনা দিয়েছে ইসি। সেগুলো হচ্ছে- ক. বীর মুক্তিযোদ্ধারা ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ শব্দ খচিত স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র প্রাপ্তির নিমিত্ত উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে আবেদন দাখিল করবেন। আবেদনের সঙ্গে এতদসংক্রান্ত গেজেটসহ সাম্প্রতিককালে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক সংশ্লিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের প্রদত্ত এমআইএস নম্বরসহ স্মার্টকার্ড ও ডিজিটাল সনদের সত্যায়িত কপি সংযুক্ত করতে হবে। খ. মাসিক ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসাররা যথাযথ প্রক্রিয়ায় সিনিয়র জেলা/জেলা নির্বাচন অফিসারের মাধ্যমে ওই আবেদনসমূহ মহাপরিচালক, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, ঢাকা বরাবর পাঠাবেন। গ. আঞ্চলিক/সিনিয়র জেলা/জেলা নির্বাচন অফিসাররা একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মাসিক/ত্রৈমাসিকভাবে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। ঘ. বিতরণের ক্ষেত্রে ম্যানুয়ালি রেজিস্ট্রারে ও ডিজিটালি এনআইডি সিস্টেমে প্রাপ্তি স্বীকারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। ২০২১ সালে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য স্মার্টকার্ডের ডিজাইনে পরিবর্তন বিশেষভাবে এ কার্ড দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ইসি। এক্ষেত্রে স্মার্টকার্ডের চিপের নিচে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ শব্দগুলো লেখার সিদ্ধান্ত হয়। জাতির সেরা সন্তানদের সম্মানার্থে কেএম নূরুল হুদার বিগত কমিশন ২০২২ সালে এ কার্যক্রম শুরু করেছিলেন। ওই বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ৮২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার হাতে স্মার্টকার্ড তুলে দেয়া হয়।
বিগত কমিশন বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী ১ লাখ ৮৩ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধাকে বিশেষ এ স্মার্টকার্ড দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এক্ষেত্রে প্রথমবারের মতো কোনো একটি সুনির্দিষ্ট শ্রেণির জন্য স্মার্টকার্ডের নকশায় পরিবর্তন আনেন তারা। তবে কোনো আলোচনা না করে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিশেষ স্মার্টকার্ড দেয়ার এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের নেই বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় আপত্তি জানালে সেই উদ্যোগ বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে সেই উদ্যোগটিই মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে আবার চালু করছে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিশন। এক্ষেত্রে কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধা বিশেষ এ কার্ড নেয়ার জন্য কেবল আবেদন করলেই নির্বাচন কমিশনার যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তা নিষ্পত্তি করছে। তবে বিশেষ স্মার্টকার্ড ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ লেখা কার্ড নিতে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে তেমন আবেদন পড়ছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
Copyright All rights reserved © 2024 Chapaidarpon.com
Theme Customized BY Sobuj Ali
error: Content is protected !!