1. tohidulstar@gmail.com : sobuj ali : sobuj ali
  2. ronju@chapaidarpon.com : Md Ronju : Md Ronju
লাগামহীন কাঁচাবাজার ॥ বেগুন-ডিমের-মুরগি ও মাছের দাম ঊর্ধ্বমুখী - দৈনিক চাঁপাই দর্পণ
রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১০:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিয়ে মতবিনিময় চাঁপাইনবাবগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিম চৌধূরীর স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবি’র অভিযানে শুল্ক ফাঁকি দেয়া ১৫৬টি স্মার্ট মোবাইল ফোনসহ আটক ১ চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিরাপদ আম উৎপাদন-প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানী বিষয়ে প্রশিক্ষন কর্মশালা চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় কবি কাজি নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উদযাপন ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ॥ মোংলা বন্দরের সকল প্রকার কার্যক্রম বন্ধ রাসিক মেয়রের সাথে স্বাচিপ জেলা ও রামেক শাখার নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ রাজশাহী সিটি প্রেসক্লাব নির্বাচন সম্পন্ন ॥ সভাপতি-রফিকুল ॥ সম্পাদক আদিত্য দুর্যোগকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য দূর্যোগে সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল

লাগামহীন কাঁচাবাজার ॥ বেগুন-ডিমের-মুরগি ও মাছের দাম ঊর্ধ্বমুখী

দর্পণ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১১ মে, ২০২৪
  • ৩২ বার পঠিত

লাগামহীন কাঁচাবাজার ॥ বেগুন-ডিমের-মুরগি ও মাছের দাম ঊর্ধ্বমুখী

আবারও লাগামহীন কাঁচাবাজার। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজারে নেই স্বস্তির কোনো লক্ষণ। মাছ-মাংস, ডিম, সবজি ও মসলাসহ বেশিরভাগ পণ্যের দাম চড়া। এক কেজি বেগুনের দাম এখন ১০০-১২০ টাকা। কাঁকরোল-বরবটিরও দর একই। আর সজনে ডাটা বিক্রি হচ্ছে ১৬০-১৮০ টাকা দরে। এমনকি সস্তা দামে পরিচিত পেঁপের কেজিও এখন ৮০ টাকা। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে এসব চিত্র দেখা যায়। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পটল আর ঢেঁড়শ বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ৬০-৮০ টাকার মধ্যে। এছাড়া অন্যান্য সবজির দাম এর ওপরে। গাজর-শসা ও টমেটোও ৮০-১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতিকেজি কাঁচা মরিচের দাম ৪০ টাকা বেড়ে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শান্তি নগরের এক সবজি বিক্রেতা মাহমুদ আলী বলেন, বাজারের সব সবজির দাম চড়া। গেলো সপ্তাহে প্রচণ্ড গরমে ক্ষেতে অনেক সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। যার প্রভাব পড়ছে বাজারে। এদিকে বাজারে পেঁয়াজের দাম নতুন করে বাড়তে দেখা গেছে। পাঁচ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০-৭৫ টাকা। এছাড়া আদা-রসুন ২২০ টাকার নিচে মিলছে না। সবজি প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, লাউ, চালকুমড়া ও ফুলকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে দেশি পেঁয়াজ ৭০ থেকে ৮০ টাকা, রসুন ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা, আদা ২০০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তরমুজের এই মৌসুমে ফলটির দাম কিছুটা বেড়েছে। আকারভেদে এ ফল ১২০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং আনারস ৩০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেয়ারা ৫০ থেকে ৮০ টাকা, পেঁপে (পাকা) ১০০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীতে আপেল, মাল্টা, কমলা ও নাশপাতি বিক্রি হচ্ছে ২৬০ থেকে ৩৪০ টাকায়। এছাড়া চাল, গম, আটা, দুধ, সয়াবিন, সুগন্ধি চালসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। এদিকে গতকাল শুক্রবার প্রতি ডজন (১২ পিস) ফার্ম ডিমের দাম ২০ টাকা বেড়ে ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গৃহপালিত মুরগির ডিম প্রতি হালি (৪ পিস) ৭৫ থেকে ৮০ টাকা এবং হাঁসের ডিম প্রতি হালি ৭০ থেকে ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীতে ডিম, মুরগি ও মাছের বাজারে আগুন। শাক-সবজি ও অন্যান্য পণ্যের দামও আগের মতোই চড়া রয়েছে।
কারওয়ান বাজার, মহাখালী, মালিবাগ ও হাতিরপুলসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, আগের সপ্তাহের তুলনায় ডিম, মুরগি ও মাছের দাম বেড়েছে। এর আগে তীব্র তাপপ্রবাহের সময় সারাদেশে ডিম ও মুরগির দাম বেড়ে যায়। গতকাল প্রতি ডজন (১২ পিস) ফার্ম ডিমের দাম ২০ টাকা বেড়ে ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গৃহপালিত মুরগির ডিম প্রতি হালি (৪ পিস) ৭৫ থেকে ৮০ টাকা এবং হাঁসের ডিম প্রতি হালি ৭০ থেকে ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, গত দুই সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগি ও সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। আকার ও মানভেদে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩৫ টাকায়। এছাড়া ব্রয়লার মুরগির দামে ততটা হেরফের না হলেও সোনালি জাতের মুরগির দাম বেশ বেড়েছে। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪১০-৪২০ টাকা, যা দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ৮০ টাকা বেশি। তবে ব্রয়লার ২২০-২৩০ টাকার মধ্যে কেনা যাচ্ছে। আবার বাজারে ফার্মের মুরগির ডিমের দামও এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডজনে ২০ টাকা বেড়ে ১৪০ টাকা দরে ঠেকেছে। সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবসায়ীরা জানান, মুরগির খাবার ও ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার দাম বাড়ায় মুরগির দাম বেড়ে গিয়েছে।
এদিকে মাছ কিনতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা। নদী ও হাওরের মাছ সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে গেছে অনেক আগেই। চাষের মাছও এখন বেশ চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে। ঈদের আগে এক কেজি ছোট ও মাঝারি আকারের পাঙাশের দাম ছিল ১৮০-২২০ টাকা, সেই একই পাঙাশ এখন বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৫০ টাকায়। দাম বেড়ে তেলাপিয়া মাছের কেজি ২৫০ টাকা ছাড়িয়েছে। মাঝারি ও বড় মানের তেলাপিয়া প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০-২৮০ টাকায়। ঈদের আগে যা ছিল ২২০-২৫০ টাকা। চাষের কই বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৫০ টাকার ওপরে। আর ৬০০-৭০০ গ্রাম ওজনের চাষের রুই মাছের দাম হাঁকানো হচ্ছে ২৮০-৩০০ টাকা কেজি। বড়গুলো ৩৬০-৪০০ টাকা। বাজারে ইলিশের সরবরাহ তেমন নেই। ৪০০-৫০০ গ্রামের ইলিশের দাম চাওয়া হচ্ছে প্রতিকেজি ১২০০-১৪০০ টাকা। ৭০০-৮০০ গ্রাম হলে ১৬০০-১৮০০ টাকা। আর কেজি সাইজের হলে দাম দুই হাজারের ওপরে। মালিবাগ মাছ বাজারে বিক্রেতা তুহিন বলেন, এক মাস আগের চেয়ে প্রতিটি মাছে কেজিতে ৫০-১০০ টাকা বেড়েছে। এতে আমাদের বেচাকেনা কমেছে। ব্যবসা করা কঠিন হয়ে গেছে। আরতে মাছ নাই। যা পাই চড়া দাম। ক্রেতারা নিচ্ছেন না।
কারওয়ানবাজারে ৪৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৬৫০ টাকা, এক কেজি ওজনের ইলিশ ১,৮০০ থেকে ২,০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১,০০০ টাকায়। অন্যান্য মাছের মধ্যে পুঁটি ও ছোট মাছ প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৫৫০ টাকা, চাষের কই প্রতি কেজি ২৩০ থেকে ৩০০ টাকা, ফলি চান্দা (রূঁপচাদা) ১২০০ টাকা, বোয়াল মাছ ৬০০ থেকে ১২০০ টাকা, কোরাল মাছ ৫৫০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। নদীর পাঙ্গাস ৭০০ টাকা, চাষের পাঙ্গাস ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি, মাঝারি আকারের কার্প (কাতল) ২৫০-৩০০ টাকা কেজি, বড় আকারের কাতল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, মাগুর মাছ (শিং) ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শিং ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ৯০০ থেকে ১১০০ টাকা কেজি এবং চিংড়ি ৫০০-৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার জন্য মূল্যস্ফীতিকে দায়ী করেছেন ব্যবসায়ীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
Copyright All rights reserved © 2024 Chapaidarpon.com
Theme Customized BY Sobuj Ali
error: Content is protected !!