শুক্রবার, আগস্ট ০৭, ২০২৭

পাট কাঁটা ও জাগ দেয়ায় ব্যস্ত জয়পুরহাটের কৃষকরা

WP Import ১৪ জুলাই ২০২৪ ০৬:১০ অপরাহ্ন জয়পুরহাট
WP Import ১৪ জুলাই ২০২৪ ০৬:১০ অপরাহ্ন

পাট কাঁটা ও জাগ দেয়ায় ব্যস্ত জয়পুরহাটের কৃষকরা

সোনালী আঁশ নামে খ্যাত পাট পুকুর ও ডোবায় জাগ দেওয়া, ধোয়া ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন জয়পুরহাট জেলার কৃষকরা। এবার পুকুর ও ডোবায় পর্যাপ্ত পানি থাকায় পাট জাগ দেওয়ায় কোন সমস্যা হয়নি কৃষকদের। স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ‘চাঁপাই দর্পণ’ কে জানায়, ২০২৪-২৫ ফসল উৎপাদন খরিপ-১ মৌসুমে জেলায় ৩ হাজার ২ শত ২০ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও চাষ হয়েছে ২ হাজার ৮ শত ৮০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে রয়েছে দেশী পাট ১৫ হেক্টর ও তোষা পাট ২ হাজার ৮ শত ৬৫ হেক্টর। এবার ৪৬ হাজার ৭ শত ২০ বেল পাট উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। সরকারের পাটজাত দ্রব্য ব্যবহার বাধ্যতামূলক করাসহ পাটের মূল্য বৃদ্ধি, জ্বালানী হিসেবে পাট কাঠিকে ব্যবহার ও পাট চাষে মাটির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে জেলার কৃষকরা পাট চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। পাট চাষ সফল করতে কৃষি বিভাগ হাতে-কলমে চাষিদের প্রশিক্ষণ, উন্নত জাতের পাট বীজ সরবরাহ এবং প্রয়োজনীয় সারের মজুদ সন্তোষজনক পর্যায়ে রাখাসহ অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণ করে।
গতবছর পাট প্রতিমণ বিক্রি হয়েছিল প্রকার ভেদে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত। এবারের নতুন পাট বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা মণ। বর্তমানে বাজারে পাটজাত দ্রব্যের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় পাটের চাহিদা অন্যান্য সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। যার ফলে এবার বাজারে ওঠা পাট বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ থেকে শুরু করে ৩ হাজার টাকা মণ পর্যন্ত। পুরানাপৈল বাজারের পাট ব্যবসায়ী সুশীল চন্দ্র মন্ডল জানান, মাটির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি, পাটের নানা বিধ ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়া ও পাটের ভালো দাম পাওয়ায় দিন দিন জেলায় পাটের চাষ বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। এদিকে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রাহেলা পারভীন জানান, চলতি ২০২৪-২৫ খরিপ-১ ফসল উৎপাদন মৌসুমে জেলায় ২ হাজার ৮’শ ৮০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। এবার বৃষ্টিপাত বেশি হওয়ায় পাট জাগ দেওয়া নিয়ে কোন সমস্যায় পড়তে হয়নি কৃষকদের। চলতি মৌসুমে ৪৬ হাজার ৭ শত ২০ বেল পাট উৎপাদন হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।